সংবাদ শিরোনাম:
ভূরুঙ্গামারীতে অবৈধ সার মজুদ, দুই ব্যবসায়ীকে ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা জরিমানা ভূরুঙ্গামারীতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত পিএম ইন্টারন্যাশনালের নিবন্ধিত ৭৪১ শিশুকে বই-খাতা রাখার র‌্যাক ও চেয়ার উপহার আমতলীতে ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে শিক্ষার্থী সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা দেবীগঞ্জে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন দেবীগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ভূরুঙ্গামারীতে বিদ্যালয়ের ফ্যান ও সিসি ক্যামেরা চুরি এনসিপির ভূরুঙ্গামারী উপজেলার, আহ্বায়ক কিরণ, সদস্য সচিব আনিস ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা সার লুটের ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন ১০০ বস্তা সার উদ্ধার
পঞ্চগড়ে শিলাবৃষ্টিতে লণ্ডভণ্ড ঘরবাড়ি-ফসল পরিদর্শনে- প্রতিমন্ত্রী

পঞ্চগড়ে শিলাবৃষ্টিতে লণ্ডভণ্ড ঘরবাড়ি-ফসল পরিদর্শনে- প্রতিমন্ত্রী

মোমিন ইসলাম সরকার, দেবীগঞ্জ ,পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
পঞ্চগড় জেলার বোদা ও দেবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে আকস্মিক শিলা বৃষ্টিতে হাজারো মানুষের বসতবাড়ি ও কৃষি জমিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। শুক্রবার (২৭ মার্চ) গভীর রাতে হওয়া এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিশেষ করে মরিচ ও ভুট্টার ফসল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক কৃষকের সারা বছরের স্বপ্ন মুহূর্তেই ভেঙে পড়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতের নীরবতা ভেঙে হঠাৎ করেই শুরু হয় তীব্র শিলা বৃষ্টি। বড় আকারের শিলাবৃষ্টির আঘাতে অসংখ্য বসতঘরের টিনের চালা ফুটো হয়ে যায়, অনেক ঘরবাড়ির আংশিক ক্ষতি হয়। একইসঙ্গে মাঠের পর মাঠ ফসল নষ্ট হয়ে যায়। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা, যাদের জীবিকা সম্পূর্ণভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল।
ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক কৃষক জানান, কয়েক মিনিটের এই শিলাবৃষ্টিতেই তাদের পুরো মৌসুমের পরিশ্রম পানিতে মিশে গেছে। কেউ কেউ ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করেছিলেন, ফলে এখন তারা চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। অনেকের ক্ষেতের মরিচ গাছ ভেঙে গেছে, ভুট্টার গাছ মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে।
খবর পেয়ে শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল ৭টায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনে যান পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপি। ভোরের দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন এবং দ্রুত ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন, যাতে অতি দ্রুত ক্ষতিগ্রস্তদের সঠিক তালিকা প্রস্তুত করা হয় এবং সরকারি সহায়তা দ্রুত পৌঁছে দেওয়া যায়।
একজন মন্ত্রী হিসেবে সরাসরি কৃষকের মাঠে গিয়ে তাদের দুর্দশা প্রত্যক্ষ করা এবং পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগ স্থানীয়দের মাঝে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। অনেকেই এটিকে একটি মানবিক ও ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। কৃষকদের মাঝেও কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে, কারণ তারা আশা করছেন সরকার তাদের পাশে দাঁড়াবে।

এদিকে, শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জরুরি ভিত্তিতে সরকারি সহায়তা ও পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন, যাতে তারা দ্রুত ঘুরে দাঁড়িয়ে পুনরায় চাষাবাদ শুরু করতে পারেন। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি

Design & Development BY : ThemeNeed.com